ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী — বিভিন্ন শহরের খেলোয়াড়রা কীভাবে 7abc ব্যবহার করে সফল হয়েছেন তার বাস্তব গল্প।
IPL সিজনে ৩ মাস ধরে নিয়মিত বেটিং করে রফিকুল ভাই মোট ৳৪৫,০০০ লাভ করেছেন। তিনি প্রথমে ছোট বাজি দিয়ে শুরু করেছিলেন।
সুমাইয়া আপা রাতে বাচ্চা ঘুমানোর পর তিন পাত্তি খেলতেন। মাত্র ৳৫০০ দিয়ে শুরু করে প্রথম সপ্তাহেই ৳৮,৫০০ জিতেছেন।
৭ মাস ধরে নিয়মিত স্লট খেলতেন কামাল ভাই। Mega Fortune-এ একদিন রাতে হঠাৎ মেগা জ্যাকপট ট্রিগার হয়ে যায়।
বাংলাদেশ দলের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ছিল নাসরিন আপার। বিশ্বকাপ মৌসুমে সিরিজের প্রতিটা ম্যাচে সঠিক বিশ্লেষণ করে বাজি ধরেছেন।
মাহবুব ভাই রুলেটে Martingale কৌশল ব্যবহার না করে নিজস্ব ব্যালেন্সড সিস্টেম তৈরি করেছেন। ধারাবাহিক আয়ের গল্প।
EPL এর একনিষ্ঠ ভক্ত ফারহান, ম্যাচ স্ট্যাটিস্টিক্স পড়ে তারপর বাজি ধরেন। ভাউচার বোনাস ব্যবহার করে মূলধন না কমিয়ে শুরু।
প্রকাশ: জুলাই ২০২৬ · পড়তে সময় লাগবে: ৫ মিনিট
রফিকুল ভাই-এর গল্পটা শুনলে মনে হয় একদম পাশের বাড়ির কেউ বলছেন। চাকরি করেন, পরিবার চালান — এর বাইরে একটু বিনোদনের খোঁজ করতে গিয়ে 7abc-এ আসা। প্রথমে খুব একটা বিশ্বাস ছিল না। "অনলাইনে টাকা দিলে ফেরত পাওয়া যাবে কি না, সেটা নিয়েই ভয় ছিল," বলেন তিনি।
বন্ধুর পরামর্শে 7abc-এ অ্যাকাউন্ট খোলেন ২০২৬ সালের শেষ দিকে। প্রথমে মাত্র ৳৫০০ ডিপোজিট করেন — পরীক্ষার জন্য। সেই টাকায় ক্রিকেট বেটিং করেন দুটো ম্যাচে, এবং দুটোতেই জেতেন। তারপর উত্তোলন করে দেখেন যে সত্যিই বিকাশে টাকা এসে গেছে। সেটাই ছিল বিশ্বাসের শুরু।
রফিকুল ভাই বলেন, 7abc-এর সবচেয়ে ভালো দিক হলো লাইভ অডস আপডেট। ম্যাচ শুরু হওয়ার ঠিক আগে অডস পরিবর্তন হওয়ার তথ্য তাৎক্ষণিক পান, যেটা অন্য সাইটে এতটা মসৃণ না। এছাড়া বাংলা ভাষায় সাপোর্ট পাওয়া যায় বলে কোনো সমস্যা হলে সহজে বোঝাতে পারেন।
পেমেন্ট নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি একবারও। বিকাশে ডিপোজিট করেন, Nagad-এ উত্তোলন করেন — সব মিলিয়ে 7abc-এর পেমেন্ট সিস্টেম তার কাছে সবচেয়ে ভরসাযোগ্য মনে হয়েছে।
শুধু রফিকুল ভাইই নন — বাংলাদেশের হাজারো খেলোয়াড় 7abc-এ এসে যে কারণে স্বাচ্ছন্দ্য পেয়েছেন, সেটার পেছনে কয়েকটি নির্দিষ্ট কারণ আছে।
প্রথমত, 7abc-এর লাইভ স্কোর ও স্ট্যাটস ইন্টিগ্রেশন অসাধারণ। বাজি ধরার সময় একই স্ক্রিনে ম্যাচের তথ্য দেখা যায়, আলাদা করে অন্য সাইট খুলতে হয় না। এই সুবিধা বিশেষত মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য অনেক বড় ব্যাপার।
দ্বিতীয়ত, 7abc কখনো পেমেন্টে দেরি করে না। বাংলাদেশে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম নিয়ে মানুষের সবচেয়ে বড় অভিযোগ হলো টাকা আটকে রাখা। 7abc-এ এই সমস্যা নেই বলেই সকলের বক্তব্য।
তৃতীয়ত, বোনাস কাঠামো স্বচ্ছ। অনেক প্ল্যাটফর্মে বোনাসের শর্ত এত জটিল যে সাধারণ মানুষ বুঝতেই পারেন না। 7abc-এ বোনাসের নিয়ম-কানুন বাংলায় সহজভাবে ব্যাখ্যা করা থাকে।
বগুড়ার ফারহান মাহমুদ কলেজের ছাত্র হওয়ায় খুব বেশি মূলধন ছিল না তার। তিনি 7abc-এর ভাউচার বিভাগ থেকে ফ্রি ক্রেডিট নিয়ে শুরু করেন। প্রথম মাসে নিজের পকেট থেকে একটা টাকাও না দিয়ে বোনাস ক্রেডিট দিয়ে খেলেন এবং ৳৬,৫০০ রিয়েল ব্যালেন্সে রূপান্তর করেন।
দ্বিতীয় মাস থেকে নিজের টাকা যোগ করা শুরু করেন। ইউরোপিয়ান ফুটবল লিগের ম্যাচগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে ফলো করতেন এবং তারপর বাজি ধরতেন। দুই মাসে মোট ৳২৬,৫০০ আয় করেছেন — সব মিলিয়ে নিজের বিনিয়োগ ছিল মাত্র ৳৫,০০০।
ফারহানের মতে, 7abc-এর ভাউচার সিস্টেম নতুনদের জন্য সত্যিকারের সুযোগ। "অনেকে মনে করেন বোনাস মানে ফাঁদ। কিন্তু 7abc-এর শর্তগুলো মেনে চললে বোনাস থেকে সত্যিই লাভ করা সম্ভব," বলেন তিনি।
নিবন্ধন করুন, খেলুন এবং সফল হলে আমাদের কেস স্টাডিতে স্থান পান।
এখনই নিবন্ধন করুন
কেস স্টাডির তথ্য বিশ্লেষণ করে যা পাওয়া গেছে।
লক্ষাধিক বাংলাদেশি যেভাবে 7abc-এ বিনোদন ও আয় একসাথে পাচ্ছেন, আপনিও সেই পথে আসুন।